সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সূচিপত্র

সমস্ত লেখার লিঙ্কগুলো


মুক্তিযুদ্ধের চেতনা


ডেটলাইন ৭ মার্চ, ১৯৭১: সিবিজিআর- এর চোখে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এম এম আর জালাল এবং বিদ্যুৎ দে আজকাল আমরা কথায় কথায় "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" এই শব্দদ্বয় প্রায়ই শুনতে পাই। কিন্তু "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" বলতে আসলে কি বোঝায়? কয়েকদিন আগে একজন বিশাল মোটিভেশনাল স্পিকারকে বলতে দেখলাম "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" অর্থ হার না মানা। এক একজন এক এক রকম কথা বলেন। এর মধ্যে অনেক তাত্ত্বিক, রাজনৈতিক নেতা, আমলা, সাংবাদিক ইত্যাদি রয়েছেন। জিজ্ঞাসা করলে এক একজন এক একরকম কথা বলেন। বেশিরভাগ মানুষই কেমন জানি ভাসা ভাসা কথা বলেন। অর্থাৎ তাদের নিজেদেরই এ ব্যাপারে সঠিক ধারণা নেই। যারাই এই শব্দদ্বয় ব্যবহার করছেন তাদের মধ্যে অনেকে না বুঝে, অনেকে হুজুগে, অনেকে বিভেদের উদ্দেশ্যে আর অনেকে তেলবাজি করতে ব্যবহার করছেন। "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" ফ্রেজটি বা শব্দবন্ধটি হাল আমলে খুব ব্যবহৃত হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় বা এর অব্যবহিত পর এই শব্দের ব্যবহার কোনো পত্রপত্রিকা, বই, সরকারি নথি বা কোনো দলিলে ব্যবহৃত হয়েছে এমন কিছু আমাদের চোখে পড়ে নাই। অর্থাৎ শব্দটির ব্যবহার বেশিদিনের নয়। "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" – এই ফ্রেজটাকে আমরা যদি একটু ভাবসম্প্...

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার টেলিগ্রাফিক বার্তা

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার টেলিগ্রাফিক বার্তা বিদ্যুৎ দে        Published :  31 March 2017, 11:37 AM ইংরেজ আমল থেকেই বাংলার বিপ্লবীরা কাজ করে গেছেন দেশ স্বাধীনের লক্ষ্যে। শেষ পর্যন্ত অনেক রক্ত ঝরে ১৯৪৭ সালে যখন বেনিয়া ইংরেজরা বিদায় নিল তখন আসলে আমরা যেটা পেলাম সেটা ছিল সোনার পাথরবাটি। পরিণাম দূরদর্শী নেতারা আগেই অনুমান করেছিলেন। গরম তেল থেকে উত্তপ্ত আগুনে ঝাঁপ দেওয়ার অভিজ্ঞতা পেতে আমাদের বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি। পাকিস্তান ১৯৪৭ সালে রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেলেও এর উভয় অংশের গণমানুষের স্বাধীনতা অধরা থেকে অধরাতর থেকে গেছে। বছরের পর বছর চলে গেছে কিন্তু একটা সংবিধান তৈরি করতে পারেনি। বাংলার মানুষ আরও অবহেলিত হতে থাকল। পুরো পাকিস্তানের অর্থনীতির বুনিয়াদ দাঁড়িয়েছিল বাংলার পাটের উপর, কিন্তু উন্নয়ন কার্যক্রম সব হতে থাকল পশ্চিম পাকিস্থান অংশে। এবং শেষ পর্যন্ত '৫২-এর ভাষা আন্দোলন, '৫৪-এর নির্বাচন, '৫৮-তে আইয়ুবের মার্শাল ল, '৬৬-তে ছয় দফা, '৬৯-এর আন্দোলনে আইয়ুবের পতন, '৭০-এর নির্বাচন পেরিয়ে বাংলার মানুষের পছন্দের রাজনৈতিক দল যখন সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে পুরো পাকিস্তানের শাসনভ...

ডেটলাইন ৭ মার্চ, ১৯৭১: সিবিজিআর- এর চোখে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ

ডেটলাইন ৭ মার্চ, ১৯৭১: সিবিজিআর- এর চোখে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান জালাল, রায়হান জামিল এবং বিদ্যুৎ দে সত্তর এর নির্বাচনে তৎকালীন সমগ্র পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত গণভোটে বিজয়ী মেজরিটি পার্টি হিসাবে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের দাবিদার হয়েছিল। কিন্তু তদানীন্তন সরকার পশ্চিম পাকিস্তানি কিছু রাজনৈতিক নেতা এবং সামরিক কুচক্রীদের মন্ত্রণায় আওয়ামী লীগের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-কে সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ না জানিয়ে নানা টাল-বাহানা করছিল। নানা বাহানায় সময় ক্ষেপন করছিল আর নিরস্ত্র বাঙালিদের হত্যা করার উদ্দেশ্যে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে সৈন্য এবং অস্ত্র পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশে) আমদানি করছিল। এমন পরিস্থিতিতে সারা বাংলার গণমানুষের প্রাণের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসীম ধৈর্য্য আর প্রজ্ঞা নিয়ে ধাপে ধাপে ইতিহাসের পথে পা ফেলেছিলেন। মার্চ'৭১ এর ৭ তারিখ তিনি তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের জনসভায় দেওয়া ভাষণে জনগণকে যে দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন, জনগণকে যেভাবে একতাবদ্ধ করেছিলেন, উদ্বেলিত করেছিলেন, তা মানব জাতির সমগ্র ইতিহাসে বিরল। এমন ঘটনা এই জাতির ইতিহাসে ওই একটিবারই ঘটেছিল। আ...